আত তাকভীর-অন্ধকারাচ্ছন্ন

সূরা:৮১ ,পারা:৩০ ,পৃষ্ঠা:৫৮৬ ,আয়াত ২৯।

[১]

إِذَا الشَّمسُ كُوِّرَت


যখন সূর্যকে গুটিয়ে নেয়া হবে।

[২]

وَإِذَا النُّجومُ انكَدَرَت


আর নক্ষত্ররাজি যখন পতিত হবে।

[৩]

وَإِذَا الجِبالُ سُيِّرَت


আর পর্বতগুলোকে যখন সঞ্চালিত করা হবে।

[৪]

وَإِذَا العِشارُ عُطِّلَت


আর যখন দশমাসের গর্ভবতী উষ্ট্রীগুলো উপেক্ষিত হবে।

[৫]

وَإِذَا الوُحوشُ حُشِرَت


আর যখন বন্য পশুগুলোকে একত্র করা হবে।

[৬]

وَإِذَا البِحارُ سُجِّرَت


আর যখন সমুদ্রগুলোকে অগ্নিউত্তাল করা হবে।

[৭]

وَإِذَا النُّفوسُ زُوِّجَت


আর যখন আত্মাগুলোকে (সমগোত্রীয়দের সাথে) মিলিয়ে দেয়া হবে।

[৮]

وَإِذَا المَوءودَةُ سُئِلَت


আর যখন জীবন্ত কবরস্থ কন্যাকে জিজ্ঞাসা করা হবে।

[৯]

بِأَيِّ ذَنبٍ قُتِلَت


কী অপরাধে তাকে হত্যা করা হয়েছে?

[১০]

وَإِذَا الصُّحُفُ نُشِرَت


আর যখন আমলনামাগুলো প্রকাশ করে দেয়া হবে।

[১১]

وَإِذَا السَّماءُ كُشِطَت


আর যখন আসমানকে আবরণ মুক্ত করা হবে।

[১২]

وَإِذَا الجَحيمُ سُعِّرَت


আর জাহান্নামকে যখন প্রজ্জ্বলিত করা হবে।

[১৩]

وَإِذَا الجَنَّةُ أُزلِفَت


আর জান্নাতকে যখন নিকটবর্তী করা হবে।

[১৪]

عَلِمَت نَفسٌ ما أَحضَرَت


তখন প্রত্যেক ব্যক্তিই জানতে পারবে সে কী উপস্থিত করেছে!

[১৫]

فَلا أُقسِمُ بِالخُنَّسِ


আমি কসম করছি পশ্চাদপসারী নক্ষত্রের।

[১৬]

الجَوارِ الكُنَّسِ


যা চলমান, অদৃশ্য।

[১৭]

وَاللَّيلِ إِذا عَسعَسَ


আর কসম রাতের, যখন তা বিদায় নেয়।

[১৮]

وَالصُّبحِ إِذا تَنَفَّسَ


আর কসম প্রভাতের, যখন তা আগমন করে।

[১৯]

إِنَّهُ لَقَولُ رَسولٍ كَريمٍ


নিশ্চয় এ কুরআন সম্মানিত রাসূলের* আনিত বাণী। \n\n*জিবরীল (আলাইহিস সালাম)।

[২০]

ذي قُوَّةٍ عِندَ ذِي العَرشِ مَكينٍ


যে শক্তিশালী, আরশের মালিকের নিকট মর্যাদাসম্পন্ন।

[২১]

مُطاعٍ ثَمَّ أَمينٍ


মান্যবর, সেখানে সে বিশ্বস্ত।

[২২]

وَما صاحِبُكُم بِمَجنونٍ

বায়ান ফাউন্ডেশন:
আর তোমাদের সাথী* পাগল নয়। \n\n*মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)।

[২৩]

وَلَقَد رَآهُ بِالأُفُقِ المُبينِ


আর সে* তাকে** সুস্পষ্ট দিগন্তে দেখেছে। \n\n*মুহাম্মাদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)।

[২৪]

وَما هُوَ عَلَى الغَيبِ بِضَنينٍ


আর সে তো গায়েব সম্পর্কে কৃপণ নয়।

[২৫]

وَما هُوَ بِقَولِ شَيطانٍ رَجيمٍ


আর তা কোন অভিশপ্ত শয়তানের উক্তি নয়।

[২৬]

فَأَينَ تَذهَبونَ


সুতরাং তোমরা কোথায় যাচ্ছ?

[২৭]

إِن هُوَ إِلّا ذِكرٌ لِلعالَمينَ


এটাতো সৃষ্টিকুলের জন্য উপদেশমাত্র।

[২৮]

لِمَن شاءَ مِنكُم أَن يَستَقيمَ


যে তোমাদের মধ্যে সরল পথে চলতে চায়, তার জন্য।

[২৯]

وَما تَشاءونَ إِلّا أَن يَشاءَ اللَّهُ رَبُّ العالَمينَ


আর তোমরা ইচ্ছা করতে পার না, যদি না সৃষ্টিকুলের রব আল্লাহ ইচ্ছা করেন।

Leave a comment